DU||Admission2021-22|| A Unit|| ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক ইউনিট ভর্তি পরীক্ষার বিস্তারিত
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক ইউনিট ভর্তি পরীক্ষার বিস্তারিত
ভর্তি পরীক্ষার আর কয়েকমাস বাকি । বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তিচ্ছু পরীক্ষার্থীরা সবাই তাদের নিজ নিজ প্রস্তুতি নিয়ে ব্যস্ত । বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি প্রস্তুতির একটি গুরুত্বপূর্ন অংশ হল প্রত্যেক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার খুটিনাটি বিষয় জানা । কারন সব বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা নিয়ম ও বিষয় এক নয় । আবার কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য আলাদাভাবে প্রস্তুতি নিতে হয় । তাই তোমাদের ভর্তি প্রস্তুতিকে আরো বেগবান করতে আমরা তৈরি করছি প্রত্যেক বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্কুলার রিভিউ। আজকে আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক ইউনিটের খুটিনাটি তথ্য নিয়ে আলোচনা করব :
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক ইউনিট ভর্তি বিজ্ঞপ্তি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ক’ ইউনিটের অধীন বিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান, ফার্মেসী, আর্থ এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস, ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনােলজি অনুষদ এবং পরিসংখ্যান গবেষণা ও শিক্ষণ ইনস্টিটিউট, পুষ্টি ও খাদ্যবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট, তথ্য প্রযুক্তি ইনস্টিটিউট, ইনস্টিটিউট অব লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনােলজি এবং শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট। স্নাতক (সম্মান) প্রােগ্রামে ফার্মেসী অনুষদে ৫ (পাঁচ) বছর মেয়াদী এবং অন্যান্য অনুষদ ও ইনস্টিটিউট-এ ৪ (চার) বছর মেয়াদী।
গুরুত্বপূর্ন তথ্যাবলী
ভর্তি পরীক্ষার তারিখঃ ১০ জুন ২০২২
ভর্তি পরীক্ষার সময়ঃ সকাল ১১ঃ০০ – ১২ঃ৩০ পর্যন্ত
প্রযোজ্য বিভাগ: বিজ্ঞান বিভাগ
মোট অনুষদ: ১০টি
মোট বিভাগ: ৩২টি
আসন সংখ্যা: ১,৮১২ টি
আবেদন ফি:১০০০/- টাকা
আবেদনের লিংক: CLICK HERE
প্রবেশপত্র ডাউনলোড:
আসন বিন্যাস লিংক: CLICK HERE
আবেদনের ন্যূনতম যোগ্যতা:
প্রার্থীকে অবশ্যই ২০১৬ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত মাধ্যমিক বা সমমান এবং ২০২১ সালে বিজ্ঞান/কৃষিবিজ্ঞান শাখায় উচ্চ মাধ্যমিক অথবা মাদ্রাসা বাের্ডের বিজ্ঞান শাখায় পাশ করতে হবে। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক (বা সমমানের) পরীক্ষার প্রতিটিতে পৃথকভাবে ৪র্থ বিষয়সহ ন্যূনতম ৩.৫ জিপিএসহ প্রাপ্ত জিপিএ-দ্বয়ের যােগফল ন্যূনতম ৮.০ হতে হবে।
ক ইউনিট ভর্তি পরীক্ষার মানবন্টন:
২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ক ইউনিট ভর্তি পরীক্ষা MCQ এবং লিখিত উভয় পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হবে। ভর্তি পরীক্ষার মোট নম্বর হবে ১০০ তন্মাধ্যে ৬০ নম্বরের MCQ এবং ৪০ নম্বরের লিখিত অংশ থাকবে। MCQ পরীক্ষা ৪৫ মিনিট এবং লিখিত পরীক্ষা ৪৫ মিনিটের হবে।
১. বহুনির্বাচনী (MCQ) পরীক্ষার মান বন্টন:
MCQ পরীক্ষায় প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা হবে এবং তা বিষয়ভিত্তিক সমন্বয় করা হবে। একজন প্রার্থী যে ৪টি বিষয়ের প্রশ্নের উত্তর দিলে তার উপর নির্ভর করবে সে কোন বিভাগ/ইনস্টিটিউট এ ভর্তি হতে পারবে।
বিষয়ের নাম এমসিকিউ লিখিত
পদার্থ বিজ্ঞান (আবশ্যিক) ১৫ ১০
রসায়ন (আবশ্যিক) ১৫ ১০
গণিত ১৫ ১০
জীববিজ্ঞান ১৫ ১০
বাংলা ১৫ ১০
ইংরেজি ১৫ ১০
মোট ১০০
যে সকল প্রার্থী উচ্চ মাধ্যমিক অথবা সমমানের পর্যায়ে পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন, গণিত ও জীববিজ্ঞান বিষয়ে অধ্যয়ন
করেছে তারা এ সকল বিষয়ে পরীক্ষা দিবে। তবে কোনাে পরীক্ষার্থী ইচ্ছা করলে শুধুমাত্র উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের ৪র্থ বিষয়ের পরিবর্তে বাংলা অথবা ইংরেজি যেকোনাে একটি বিষয়ে পরীক্ষা দিতে পারবে। এখানে উল্লেখ্য যে, পদার্থ
বিজ্ঞান ও রসায়ন বিষয়ে পরীক্ষা দেয়া আবশ্যিক।
A-Level পর্যায়ে অধ্যয়নকৃত পরীক্ষার্থী পদার্থ বিজ্ঞান ও রসায়নসহ অন্য (গণিত/জীববিজ্ঞান/বাংলা/ইংরেজি বিষয়ের
মধ্যে) যেকোনাে দুইটি বিষয়ে পরীক্ষা দিয়ে মােট চারটি বিষয় পূর্ণ করবে।
লিখিত পরীক্ষার মান বন্টন
লিখিত অংশে মোট নম্বর ৪০ এবং সময় ৪৫ মিনিট। প্রতিটি বিষয়ে মোট নম্বর ১০। প্রতিটি প্রশ্নের মান ২ থেকে ৫ এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে।
ক ইউনিট ভর্তি পরীক্ষার পাশ নম্বর:
ভর্তি পরীক্ষার MCQ অংশের পাস নম্বর ২৪। উল্লেখ্য, MCQ পরীক্ষায় ২৪ নম্বরে পেলে কেবল লিখিত পরীক্ষার উত্তরপত্রের মূল্যায়নের জন্য বিবেচিত হবে। তবে MCQ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মধ্যে থেকে ‘ক’ ইউনিট এর মোট আসনের কমপক্ষে ৫ গুন লিখিত পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়ন করা হবে। লিখিত অংশের পরীক্ষায় পাস নম্বর ১২। তবে ১০০ নম্বরের মধ্যে MCQ এবং লিখিত পরীক্ষার মোট পাস নম্বর ৪০। যারা ৪০ এর কম নম্বর পাবে তাদের কে ভর্তির জন্য বিবেচনা করা হবে না ।
মেধাস্কোর ও মেধাক্রম
মােট ১২০ নম্বরের ভিত্তিতে প্রার্থীদের অর্জিত মেধাস্কোরের ক্রমানুসারে মেধা তালিকা তৈরি করা হবে। এজন্য
মাধ্যমিক/o-Level বা সমমানের পরীক্ষায় প্রাপ্ত/হিসাবকৃত জিপিএকে ২ দিয়ে গুণ; উচ্চ মাধ্যমিক/A-Level বা সমমানের পরীক্ষায় প্রাপ্ত/হিসাবকৃত জিপিএকে ২ দিয়ে গুণ করে এই দুইয়ের যােগফল ভর্তি পরীক্ষায় ১০০-তে প্রাপ্ত নম্বরের সাথে যোগ দিয়ে ১২০ নম্বরের মধ্যে মেধাস্কোর নির্ণয় করে ক্রমানুসারে মেধা তালিকা তৈরা করা হবে।
মেধাস্কোর সমান হলে নিম্নলিখিত ক্রমানুসারে মেধাক্রম তৈরি করা হবে :
ভর্তি পরীক্ষায় প্রাপ্ত স্কোর
- HSC/সমমানের পরীক্ষায় প্রাপ্ত GPA without 4th subject
- HSC/সমমানের পরীক্ষায় প্রাপ্ত GPA with 4″ Subject
- SSC/সমমানের পরীক্ষায় প্রাপ্ত GPA without 4″ Subject
- SSC/ সমমানের পরীক্ষায় প্রাপ্ত GPA with 4″ Subject
- HSC/সমমানের পরীক্ষায় চারটি বিজ্ঞান বিষয়ে প্রাপ্ত GPA এর যােগফল।
মেধাস্কোরের ভিত্তিতে নির্ণীত মেধাক্রম অনুযায়ী উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মেধা তালিকা ও ফলাফল ভর্তি পরীক্ষার পর ৪ (চার) সপ্তাহের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির ওয়েব সাইটেও admission.eis.du.ac.bd পাওয়া যাবে। এছাড়া এসএমএস এর মাধ্যমে ফলাফল জানতে পারবে।
স্বীকারোক্তিঃ এখানে উপস্থাপিত সকল তথ্যই দক্ষ ও অভিজ্ঞ লোক দ্বারা ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহ করা। যেহেতু কোন মানুষই ভুলের ঊর্দ্ধে নয় সেহেতু আমাদেরও কিছু অনিচ্ছাকৃত ভুল থাকতে পারে।সে সকল ভুলের জন্য আমরা আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী এবং একথাও উল্লেখ থাকে যে এখান থেকে প্রাপ্ত কোন ভুল তথ্যের জন আমরা কোনভাবেই দায়ী নই এবং আপনার নিকট দৃশ্যমান ভুলটি আমাদেরকে নিম্নোক্ত মেইল / পেজ -এর মাধ্যমে অবহিত করার অনুরোধ জানাচ্ছি।
ই-মেইলঃ saifulislamfahad.m@gmail.com অথবা এইখানে ক্লিক করুন।
Comments
Post a Comment
Don:t Share Any Link